দিনাজপুর টেক্সটাইল মিল্স এর ৩০০ কোটি টাকার মালামাল ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে

Share This
Tags

newsbdn
মোঃ সিদ্দিক হোসেন দিনাজপুর প্রতিনিধি: মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা উত্তর বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন সফল করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার শিল্পমন্ত্রালয়ের মন্ত্রী মরহুম আব্দুল হাসনাত ও মোঃ কামরুজ্জামান সদর দিনাজপুরে ৩৬ দশমিক ৩৪ একর জমিতে ১ই মার্চ ১৯৭৫ইং সালে দিনাজপুর টেক্সটাইল মিল্স লিমিটেডের ভিত্তি প্রস্তর আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্ভোধন ঘোষণা করেন। লক্ষ্মী লিটার এমএমসি ভারত ২৫৫৬টি ও চাঙ্গী চিন মডেল ৪৩২০ টি ঠাকুর স্থাপন করে ৩ বছর পর ০১/১১/১৯৭৮ইং সালে পরীক্ষামূলক সুতা উৎপাদন শুরু করা হয়। ১৬/১১/১৯৮০ইং সালে বাণিজ্যিক ভাবে সুতা উৎপাদন শুরু করা হলে টেক্সটাইলে হাজার হাজার কর্মকর্তা ও কর্মচারী বেতন-ভাতা পরিশোধ করেও প্রতি বছর ৫০/৬০ লক্ষ টাকা মুনাফা অর্জন করার পরও ০১/০২/১৯৯৪ইং সালে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তর করা হয়। অথরাইস ক্যাপিটাল ধরা হয় ৩০০০ লক্ষ টাকা, পেইড আপ ক্যাপিটাল ১৫ দশমিক ০০ লক্ষ টাকা মিলের উৎপাদিত পণ্য সুতা। পরবর্তীতে ২০০৩ইং সালে চার দলীয় জোট সরকারের সময় উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। শ্রমিকদের তীব্র অসন্তোষের কারণে পুনরায় চালু করা হয়। ২০০৬ইং সালে আবার সুতা উৎপাদন বন্ধ করে একই কারণে পুনরায় চালু করা হয়। ২০০৮ইং সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় সুতা উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ করে হাজার শ্রমিক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্থায়ীভাবে ছাটাই করে দেওয়া হয়। টেক্সটাইলের অভ্যন্তরে ৪টি সু-বিশাল গুদাম রয়েছে। এর মধ্যে ২টি জনসাধারণের কাছে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। ১টি সুতা উৎপাদন কারখানা, চার তলা ৩টি সিনিয়র স্টাফ কোয়াটার, ১টি দ্বিতল ২টি স্টাফ কোয়াটার, জুনিয়র স্টাফ কোয়াটার ১টি, ১টি হাসপাতাল, ১টি নি¤œমাধ্যমিক বিদ্যালয়, মসজিদসহ অনেক মূল্যাবান অবকাঠামো রয়েছে। বর্তমানে অতিরিক্তি মহা ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছেন দারোয়ানী টেক্সটাইলের মহা ব্যবস্থাপক। দিনাজপুর টেক্সটাইল মিলস্ লিমিটেডের কার্যক্রম বন্ধ করে রাখার কারণে সরকার যেমন- প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার মুনাফা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অপরদিকে সরকারী ৩০০ কোটি টাকার সরকারী সম্পদ ও যান্ত্রিক মালামাল দিনের পর দিন ধ্বংস ও লোপাট হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর প্রতিশ্রুতির ফসল টেক্সটাইল মিলটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে হাজার হাজার শ্রমিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিবার অর্ধাহারে-অনাহারে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এব্যাপারে এলাকাবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন