Published On: বৃহস্পতি, ডিসে ২২, ২০১৬

প্রথম পাঁচ ঘণ্টায় সুষ্ঠু ভোট

Share This
Tags

narayanganj-1

নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রথম পাঁচ ঘণ্টায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ হয়েছে। তবে ভোটার উপস্থিতি কম দেখা গেছে। বিশেষ করে নারী ভোটারদের উপস্থিতি কম লক্ষ করা যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো। কোথাও কোনো সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি।

প্রার্থীদের পক্ষ থেকে নির্বাচন নিয়ে কোনো অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে বিএনপি প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন খান ভোটার উপস্থিতি নিয়ে কিছুটা শঙ্কা প্রকাশ করেন।

নারায়ণগঞ্জ বার একাডেমিতে প্রথম চার ঘণ্টায় (সকাল ৮টা-দুপুর ১২টা) দুটি কেন্দ্রের মধ্যে নারী কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ২১ শতাংশ। এই কেন্দ্রে নারী ভোটারের সংখ্যা প্রায় তিন হাজার, যার মধ্যে এখন পর্যন্ত ভোট দিয়েছেন ৬৬৫ জন। এ ছাড়া পুরুষদের কেন্দ্রে প্রথম চার ঘণ্টায় ভোটার উপস্থিতি ৩৪ শতাংশ। কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ অন্য কাউন্সিলর প্রার্থীদের এজেন্ট ছিল। সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ চলছে।

মোজাম্মেল হোসেন একজন সরকারি কর্মচারী। কাজের ফাঁকে ভোট দিতে এসেছেন। তিনি বলেন, ‘খুবই সুষ্ঠুভাবে ভোট দিয়েছি। কোনো অসুবিধা হয়নি।’

তবে কোনো কোনো ভোটার অভিযোগ করেছেন, প্রার্থীদের কাছ থেকে এই কেন্দ্রে (নারায়ণগঞ্জ বার একাডেমি) ভোট দেওয়ার জন্য স্লিপ পেলেও এখানে এসে দেখছেন তাঁরা এই কেন্দ্রের না। তাঁদের বলা হচ্ছে পাশের আরেকটি কেন্দ্র ডন চেম্বারে গিয়ে খোঁজ নিতে। এমন একজন সালাউদ্দিন। তিনি জানান, কয়েকজন প্রার্থী তাঁকে বাসায় গিয়ে ভোটের স্লিপ দিয়েছেন, কিন্তু এখন এসে দেখছেন, তিনি এই কেন্দ্রের ভোটার নন।

শহরের শেষ প্রান্ত শীতলক্ষ্যা এলাকার কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি। এখানে তিনটি কেন্দ্রে প্রথম চার ঘণ্টায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা।

শহরের বন্দর এলাকায়ও ভোটের পরিবেশ খুবই ভালো। তবে নারী ভোটারের সংখ্যা বেশ কম। পুরুষ ও নারী ভোটার মিলিয়ে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ ভোট দিয়েছেন প্রথম চার ঘণ্টায়।

সিদ্ধিরগঞ্জ ১, ২, ৪, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভোট নিয়ে কাউন্সিলর প্রার্থীরা ভোট কারচুপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করছেন। এখানে কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে কিছুটা উত্তেজনা তৈরি হলেও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

তবে শহরের জল্লার পাড় এলাকায় দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সামান্য সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।

জেলা পুলিশ সুপার মইনুল হক বলেছেন, খুব ভালোভাবে ভোট গ্রহণ হচ্ছে, সবাই ভোট দিচ্ছেন। কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অনেক সময় গুজব শোনা গেলেও পুলিশ দ্রুত সেখানে যাচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হচ্ছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন