বীরগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে আসন্ন এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি সমমানের পরীক্ষার্থীরা উদ্বিগ্ন শেষ মহুর্তের প্রস্তুতি গ্রহণে অনিশ্চয়তা

Share This
Tags

newsbdn.
সিদ্দিক হোসেন দিনাজপুর প্রতিনিধি :দিনাজপুরের বীরগঞ্জে কয়েক হাজার এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি সমমানের পরীক্ষার্থী প্রতি সন্ধ্যায় বিদ্যুতের লোডসেডিং এর করাল থাবার কারণে তাদের শেষ মহুর্তের প্রস্তুতি নিতে পারছে না। গত ২০ জানুয়ারী থেকে প্রতি সন্ধ্যায় এমন অনাকাংখিত লোডসেডিং বীরগঞ্জ সদর সহ আশেপাশের গ্রামগুলো ঘুটঘুটে অন্ধকারে পতিত হচ্ছে। সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৬টায় লোডসেডিং শুরু হয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত প্রায় ৪ ঘন্টা দু-একবার আসা যাওয়ার মধ্যে চলছে বিদ্যুতের এই ভেলকিবাজীর খেলা। আগামী ২ ফেব্রুয়ারী এস.এস.সি/সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আর মাত্র ৭ দিন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার বাকী রয়েছে। বাকী কয়েকদিনের শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি নিতে ব্যর্থ হচ্ছে কয়েক হাজার পরীক্ষার্থী। ফলে পরীক্ষার্থীদের একমাত্র ভরসা মোমের বাতি কিংবা কৃত্রিম আলো। এমনও অনেক পরিবার রয়েছে যাদের বাড়তি পয়সা খরচ করে আলোর ব্যবস্থা করার কোন উপায় নেই। অথচ সন্ধ্যার পর এই লোডসেডিং এর কারণে ঘর-গৃহস্থালির কাজ-কর্ম, ব্যবসা-বাণিজ্য, ছোট ও মাঝারী কল-কারখানা এমনকি মানুষের জীবনযাত্রা পর্যন্ত থেমে যাওয়ার উপক্রম। এব্যাপারে বীরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মোঃ মমিনুর রহমান বিশ্বাস এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বীরগঞ্জ উপজেলায় ৭ মেগাওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন। কিন্তু সেখানে মাত্র ৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। চাহিদার বিপরীতে প্রায় ৫০% বিদ্যুৎ ঘাটতি রয়েছে। দিন ও রাতে অন্য সময়ে এই লোডসেডিং দেওয়ার কোন উপায় নেই বলে তিনি জানান। এদিকে পরীক্ষার্থীদের চেয়ে অভিভাবকরা বেশি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। জনৈক পরীক্ষার্থীর অভিভাবক জানান, আমার মেয়ের আসন্ন পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে আমি চিন্তিত। সচেতন মহল জানান, বর্তমানে বীরগঞ্জের ১১টি ইউনিয়নে কোন সেচ কিংবা বাড়তি কাজে বিদ্যুৎ ব্যবহার হচ্ছে না। তাহলে কেন এই লোডসেডিং? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে প্রতি সন্ধ্যায় এস.এস.সি/সমমানের পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ উত্তর হাতড়ে বেড়ান।

আপনার মন্তব্য লিখুন