রাষ্ট্র ও জনস্বার্থে তিন অঙ্গের সুসমন্বয় প্রয়োজন

Share This
Tags

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট:

PM-26

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর খুনি ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে।  দেশের তিনটি অঙ্গের মাঝে সুষম সমন্বয়, সম্পর্ক ও সমঝোতা গড়তে হবে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনস্বার্থের পক্ষে এ তিন অঙ্গের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে হবে। রাষ্ট্রের স্বার্থকে সমুন্নত রাখতে হবে।

সরকার ও বিচার বিভাগের মধ্যে কোনো সমস্যা দেখা দিলে আলোচনার মধ্য দিয়ে তার সমাধান করা হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।রাজধানীর কাকরাইলে জাজেস টাওয়ারে বিচারপতিদের জন্য নবনির্মিত বহুতল ভবনের উদ্বোধনকালে শনিবার (১৫ এপ্রিল) এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ার পাশাপাশি সব শ্রেণির মানুষের অধিকার রক্ষার ব্যবস্থা করে গিয়েছিলেন। তাকে হত্যার মধ্য দিয়ে এদেশের অগ্রগতি থামিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি তাকে সপরিবারে হত্যাকাণ্ডের বিচার করতে না দিয়ে থামিয়ে দেওয়া হয়েছিল ন্যায়বিচারের চাকাকেও’।

‘আমরা বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচারের ব্যবস্থা করেছি, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছি। কয়েকজন পালিয়ে থাকলেও বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বেশিরভাগের ফাঁসির রায় কার্যকরও হয়েছে। পলাতক বাকিদেরও ধরে আনার চেষ্টা চলছে। বেশ কয়েকজন শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসিও কার্যকর হয়েছে। এসব বিচারের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে’।

বিচারপতিদের যুগান্তকারী রায় দেওয়ার মাধ্যমে এ অগ্রযাত্রা শুরু এবং সংশ্লিষ্টদের পদক্ষেপ নেওয়ায়, সহযোগিতা করায় অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নতুন আইন তৈরির সুদীর্ঘ প্রক্রিয়া তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে আইন প্রণয়ন ও জাতীয় সংসদে চূড়ান্তভাবে তা পাস করেন সংসদ সদস্যরা। সবশেষে রাষ্টপতির অনুমোদনের পর সে আইন কার্যকর করা হয়। জনস্বার্থেই তাই সব আইন তৈরি হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুন